কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৩:৩০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
“পাসপোর্ট নাগরিক অধিকার, নিঃস্বার্থ সেবাই অঙ্গীকার” এই স্লোগান কে সামনে রেখে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর নাগরিকদের পাসপোর্ট সেবা দৌরগোড়ায় পৌছে দিতে প্রত্যেক জেলায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এর কা্র্যক্রম শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও এ ৫ই জুন, ২০১৩ খ্রিঃ তারিখ হতে হোল্ডি নং ২৯৭/৫, ইসলামবাগ রোড এর ভাড়া করা বাড়ীতে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এ অঞ্চলের মানুষের পাসপোর্ট সেবা দিয়ে আসছে। আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ঠাকুরগাঁও এ ০৭ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ খ্রিঃ তারিখ হতে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এম আর পি) যাত্রা শুরু করেন। ফলে অত্র জেলার অধিক্ষেত্রাধীন ০৬ (ছয়) টি থানার জনগণ স্বতস্ফুর্ত ভাবে পাসপোর্টের আবেদন পত্র জমা করে যথাসময়ে সন্তুষ্টি চিত্তে তৈরি পাসপোর্ট গ্রহণ করছে।
বর্তমানে ঠাকুরগাঁও শহরের কলেজ পাড়া মনোরম পরিবেশে নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। হজ্ব যাত্রী, প্রতিবন্ধী, অসুস্থ এবং বয়স্ক আবেদনকারীদের বিশেষ সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আবেদনকারীদের জন্য তথ্য অনুসন্ধান ও হেল্প ডেস্ক চালু করা এবং বিনামূল্যে ফরম বিতরণ ও ফরম পূরনের সহযোগীতা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযোগ/পরামর্শ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। নোটিশ বোর্ড তৈরী এবং পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্যাদি নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করা হয়েছে। পাসপোর্ট আবেদনকারীর বসার জন্য চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিজিটাল ব্যানারের সিটিজেন চার্টার স্থাপন করা হয়েছে।
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ঠাকুরগাঁও এর চ্যালেঞ্জ সমূহঃ
১) দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট প্রত্যাশী জনগনকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করা।
২) পাসপোর্টের সেবার পরিধি তথা জনবল, ওয়ার্ক স্টেশন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে
৩) দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করা।
৪) পাসপোর্ট অফিসকে দালাল, প্রতারক ও হয়রানিমুক্ত রাখার মাধ্যমে অত্রঅফিসের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করা।
৫) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন আবেদনে উৎসাহিত করে অনলাইন আবেদনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
৬) অনলাইন ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে রাজস্ব জমাদানে জনসাধারণকে উৎসাহিত করা।
৭) সময়মতো পুলিশ তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া।
৮) একই ব্যক্তির ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিয়ে একাধিক পাসপোর্ট করা প্রবণতা রোধ করা।
৯) পাসপোর্ট ভুল/অন্যের তথ্য ব্যবহার করার প্রবণতা রোধ করা।
১০) ভূল/ভ’য়া জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মসন্দ আবেদনপত্র জমা দেওয়ার প্রবণতা রোধ করা।
ভবিষ্যত পরিকল্পনাঃ
কোন ধরনরে হয়রানি ছাড়া নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রাপ্তিতে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। কোন ব্যক্তি বা কোন পক্ষ বা কোন সুবিধাভোগী এজেন্সি যাতে করে পাসপোর্ট সেবা গ্রহীতাকে হয়রানি না করতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিদ্যমান দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা, অনলাইন আবেদনে সঠিক সংখ্যক জনগণকে সম্পৃক্ত করণ, উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে পাসপোর্ট সেবাকে আনন্দদায়ক ও সহজ করণ ।
প্রধান অর্জনসমূহঃ
³ প্রতিবন্ধী, অসুস্থ এবং বয়স্ক আবেদনকারীদের এমআরপি এনরোলমেন্ট- বিশেষ ব্যবস্থায় সম্পন্ন করা।
³ অফিসিয়াল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সর্ব্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে এর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
³ ডিজিটাল ব্যানারে পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে “নিজের পাসপোর্ট নিজে করা” কে উৎসাহিত করা।
³ তথ্যকেন্দ্র/হেল্পডেস্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করণ।